Saturday, 7 September 2019

How to Improve Your Motivational Skill, Series 30 (Prerana)

প্রেরণা সিরিজ - ৩০, PRERANA SERIES - 30 (Motivational & Inspirational)
লেখক – প্রদীপ কুমার রায়।
                                                  আগেই বলে নিচ্ছি কেননা তোমরা পরে ভুলে যাবে বাকি অন্যান্যদের  সাহায্যের উদ্দেশ্যে শেয়ারটা মনে করে, করে দেবে। শুরু করছি আজকের বিষয় 
                                         নমস্কার বন্ধুরা আমি প্রদীপ  তোমাদের সবাইকে আমার এই Pkrnet Blog   স্বাগতম।আশা করি সবাই তোমরা  ভালোই  আছো  আর  সুস্থ আছো।


                               ক্যালিফোর্ণিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মনস্তত্ত্বের অধ্যাপক লিনবমীরস্কি মন ভালো রাখতে আটটি পথের সন্ধান দিয়েছেন । এর মধ্যে প্রথমটা যদি অন্যের প্রতি দয়াদাক্ষিণ্য হয়, তবে দ্বিতীয়টা হল-- কারো কাছ থেকে সাহায্য পেলে কৃতজ্ঞতা দেখানো। যে মানুষটি জীবনের কোনও না কোনও সময়ে আমার উপকার করেছেন, বিপদের দিনে তাঁর পাশে গিয়ে দঁড়ানোটা জরুরি। তৃতীয়ত, প্রতিদিনের জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলোকে অবহেলা না করা। জীবনের সুখস্মৃতিগুলিকে মনে করে যে আনন্দ পাওয়া যায় তা মোটেই ফ্যালনা নয়। এই কারনই, প্রিয়জনদের পূর্ণ ফটোগ্রাফ দেখলে অথবা আনন্দের ঘটনা মনে পড়লে মন ভালো হয়।

                                    আনন্দে থাকতে হলে ক্ষমা করতে শিখতে হয়। রাগ আর আক্রোশ  মনের মধ্যে পুষে রাখলে আনন্দ কখনই ধারা দেয়  না। মানসিক চাপের মধ্যে থাকলে তা থেকে বেরোনোর রাস্তা তৈরী করা দরকার । মন ভালো রাখতে আর পাঁচজনের সঙ্গে মনের আদান-প্রদানের  গুরুত্ব তাই অপরিসীম।
                                     মনোবিদ, মেটাফিজিস্ট বা পৃথিবীর তাবৎ স্পিরিচ্যুয়াল হিলারেরা  একটি বিষয়ে একমত যে , যাবতীয় অসুখের জন্য দায়ী মনের মধ্যে পুষে রাখা রাগ , ক্ষোভ, হিংসা,ঈর্ষা ,অপরাধবোধ ও ভয়। এগুলিই আমাদের প্রতিনিয়ত আহত করছে এবং ক্ষতবিক্ষত করছে।

                         এই জন্যই সব ধর্মের মূল কথা মানবতা। ত্যাগ, শিক্ষা,সহিষ্ণুতা ও নিজেকে ভালোবাসা। নিজেকে ভালোবাসা মানে অহংকার , ঔদ্ধত্যের প্রকাশ নয়। নিজের আত্মাকে,দেহকে ভালোবাসা। তার কারন নিজেকে সত্যিকারের ভালোবাসতে শিখলে অন্যকেও ভালোবাসতে শেখা  যাবে এবং তাতেই জীবন হয়ে উঠবে সুন্দর। শরীরের  রোগের  সঙ্গে মনের রোগের তফাৎ এই যে ,শরীরে রোগ হলে তা সরাসরি কোনো না কোনো উপায়ে   আমাদের জানান দেয় ।
BENGALI  STORIES 
  
                               মন কিন্তু এইভাবে জানান দেয় না। ধীরে ধীরে মনের মধ্যে নিঃশব্দে বাসা বাঁধে। দুর্বল মানসিক অবস্থার ভিতরই লুকিয়ে রয়েছে নানাবিধ শারীরিক অসুখের বীজ। মনোবিদরা বিশ্লেষণ করে দেখেছেন, স্ট্রেন বা মানসিক চাপ নেতিবাচক মানসিকতার জন্ম দেয়। এই নেতিবাচক মানসিকতাই জন্ম দেয় হৃদরোগ, ক্লান্তি, মাইগ্রেন,হাঁপানি ,রক্তাল্পতা,অনিদ্রা ,কোষ্ঠকাঠিন্য,চর্মরোগ, বুকে ব্যাথা প্রভৃতি রোগের । এইসব নিরাময়ে নিয়মিতভাবে মাইন্ড কন্ট্রোল মেথডের সাহায্য নেওয়া উচিত।
                               ঝুঁকিপূর্ণ পছন্দ এর থেকে, ব্যক্তিগত বিকাশ সম্ভবত নিরাপদ । তুমি যেকোনো সময় তোমার  চাকরি হারাতে পারো , কিন্তু তার ফলে তুমি তোমার অর্জিত দক্ষতা হারাবে  না । ব্যবসাগুলি মারা যেতে পারে, তবে ব্যর্থ উদ্যোগ থেকে শেখানো পাঠগুলি ভবিষ্যতের ব্যবসা আরও জোরদার করতে সাহায্য করবে।তোমার  স্বাস্থ্য হ্রাস পেতে পারে, তবে তোমার  অভ্যাস পরিবর্তন করার দক্ষতা দৃঢ়  হবে। যদি তোমার  সময়ের কোনও বিনিয়োগ অভ্যন্তরীণ সম্পদ তৈরি না করে তবে তা করার মতো নয়।  এমনকি যদি আমার বাহ্যিক সম্পদ ব্যর্থও হয় তবে আমি যা  অভ্যন্তরীণ সম্পদ তৈরি করেছি তা  ছিনিয়ে নেওয়া যাবে  না।

চেষ্টা না করার জন্য কোনো অজুহাত হয়না”-: Barack Obama


ধর্মীয় স্বাধীনতা মানে এই নয়, যে আপনি অন্যদের নিজের আস্থার বিচারে তাদের বাঁচার জন্য বাধ্য করবেন”-: Barack Obama
সকল প্রকার আক্রমণ হইতে নিজেকে সম্ভ্রমের সহিত রক্ষা করাই মানুষের ধর্ম | আমাদের জীবনের এটিই একমাত্র মূলসূত্র” –  Chittaranjan Das

মনুষ্য জীবন একটা নদীর মতো, যেটা তার প্রবাহের দ্বারা নতুন দিশায় পথ বানিয়ে নেয়” –Rabindranath Tagore
জীবনে অনুপ্রেরণার গুরুত্ব যে কতটা, তা আমরা কমবেশি  প্রত্যেকেই জানি| প্রত্যেক মানুষই চায়  তারা যেন সর্বদা অনুপ্রাণিত থাকেন |
এই অনুপ্রেরণা মূলক বিচার গুলিকে বাস্তব জীবনে ঠিক  মত মেনে চললে যে কোনো মানুষের জীবন অনয়াসেই বদলে যেতে পারে 
মোটিভেশনাল ভিডিও দেখতে উপরের ডানদিকের কর্নারে YouTube লিঙ্ক অথবা এখানে Pkrnet এই লিঙ্কটির উপর ক্লিক করুন।
এতক্ষণ সময় দিয়ে পড়ার জন্যে তোমাকে  অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই  পিকেআর নেট  ব্লগ - এর পক্ষ থেকে | 
পোস্টটা ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই একটু Comment করে তোমার মতামত আমায় জানিও |তোমার মূল্যবান মতামত আমাকে বাড়তি অনুপ্রেরণা যোগাতে ভীষনভাবে সাহায্য করে।


No comments:

Post a comment