Tuesday, 25 February 2020

আপনার অনুপ্রেরণামূলক দক্ষতা কীভাবে উন্নত করবেন, সিরিজ-৮৮(প্রেরণা)[How to Improve Your Motivational Skill, Series-88(Prerana)]

প্রেরণা সিরিজ - ৮,PRERANA SERIES-88(Motivational & Inspirational)
লেখক – প্ৰদীপ কুমার রায়।

আগেই বলে নিচ্ছি কেননা তোমরা পরে ভুলে যাবে বাকি অন্যান্যদের  সাহায্যের উদ্দেশ্যে শেয়ারটা মনে করে,করে দেবে এবং ডানদিকের উপরের কোনে অনুসরণ বাটন অবশ্যই ক্লিক করে অনুসরণ করবে।শুরু করছি আজকের বিষয় 
নমস্কার বন্ধুরা আমি প্রদীপ  তোমাদের সবাইকে আমার এই Pkrnet Blog   স্বাগতম।আশা করি সবাই তোমরা  ভালোই  আছো  আর  সুস্থ আছো।




হে মহিমান্বিত জীবশ্রেষ্ঠ বিবেকবান মানুষ। তোমরা তো সদা সর্বদা বিভিন্ন পরিবর্তনের উচ্চাকাঙ্খী হিসেবে নিজেদের রদবদল করেই চলেছো।হেঁটে যাবোনা চড়ে, চড়ে যাবোনা উড়িয়ে, উড়িয়ে আর কতক্ষণ তার বদলে যাবো মিলিয়ে। এগুলো তোমার ইচ্ছের পরিতৃপ্তি মাত্র। তুমি দুঃখ বা অভাবে পড়ো তোমার ইচ্ছেই তোমাকে প্রথম পরিহাস করবে,ইস টাকাগুলো খরচ হল বাইক নিলাম না কেন? শপিং করলাম না কেন? অথচ তুমি নিজে ভাঙ্গা খাটে আর তোমার ইচ্ছে শপিংমলে, শোরুমে কেনাকাটায় ব্যস্ত। এই পরিবর্তনের  চাপে জিন্সপ্যান্ট বায়না ধরলো সেও তৈরী থেকেই  পুরাতনে নতুন রূপ নিয়ে ছোটবাবুকে রুপে কাবু করবে। এই পরিবর্তন কি আদৌ মনের? নাকি ইচ্ছের বহিঃপ্রকাশ। ইচ্ছের বাহ্যিক পাতাগুলো উল্টিয়ে পরিবর্তন করছ ঠিকই কিন্তু আভ্যন্তরিক মনের পরিবর্তন করেছ কি? মনকে যদি কব্জা করতে না পার,তাহলে দরজা হয়ে দাড়িয়ে থাকাটা তোমার কাছে নূন্যতম শূন্যসমান।

ওহে চিন্তা,তোমার অবস্থান এত দৃঢ় যে,কোন প্রাণীকূল নেই,যার মধ্যে তোমার অবস্থান নেই। তুমি এত সক্রিয়ভাবে প্রতিটি জীবদেহে  অবস্থান করে তোমার স্বীয় কার্য সম্পাদন করছো,  ধর্মের জন্য নাকি ব্যাভিচারের জন্য? যে মনের সাথে তোমার এত অন্তরঙ্গতা সে তোমাকে ভুল পথে পরিচালনা করছে নাকি, তুমিই স্বয়ং বিকৃত পথ উৎরে দিচ্ছো? তুমি আসো  বলেই মনের সাথে তোমার এত অন্তরঙ্গতা। তুমি চাইলে ভালো কিছু প্রাপ্যতা নিয়ে আসতে পারো। কিন্তু তুমি বন্ধনের সুতোকে লাগামহীন ভাবে বিকৃত করে দিচ্ছ। তোমার অবস্থানের জানান অহংকার বিভীষিকাময় করে তুলছো।অথচ তোমার অবস্থান আছে, যতক্ষণ প্রাণ আছে। তুমিও সবকিছুর  উর্ধে নও। তুমি ইচ্ছে করলে সুবার্তা নিয়ে এসে জীবকুল ধন্য করে পূর্ণচন্দ্রে মনের সাথে বন্ধনের বিকাশ আরো দ্যূোতিময় করে স্বর্গের দ্বার উন্মুক্ত করে তুলতে পারো। এ ধরাকে মঙ্গলময়  করে গড়ে তুলতে পারো। প্রতিটি পথ সুন্দর সাবলীলভাবে গড়ে তুলতে পারো। সদচিন্তা হোক সর্বজনে, কুচিন্তা বিসর্জনে। 


খুব ছোট্ট এক ছেলে প্রচন্ড রাগী ছিলো। সে খুব সামান্য কারণেই রেগে যেত । তার বাবা তাকে একটা পেরেক ভর্তি ব্যাগ দিল এবং বললো যে, যতবার তুমি রেগে যাবে ততবার একটা করে পেরেক আমাদের বাগানের কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে । প্রথমদিনেই ছেলেটিকে বাগানে গিয়ে ৩৭ টি পেরেক মারতে হলো । পরের কয়েক সপ্তাহে ছেলেটি তার রাগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রনে আনতে পারলো তাই প্রতিদিন কাঠে নতুন পেরেকের সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে এলো। সে বুঝতে পারলো হাতুড়ী দিয়ে কাঠের বেড়ায় পেরেক বসানোর চেয়ে তার রাগকে নিয়ন্ত্রন করা অনেক বেশি সহজ। শেষ পর্যন্ত সেই দিনটি এলো যেদিন তাকে একটি পেরেকও মারতে হলো না। সে তার বাবাকে এই কথা জানালো। তারা বাবা তাকে বললো , এখন তুমি যেসব দিনে তোমার রাগকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রন করতে পারবে সেসব দিনে একটি একটি করে পেরেক খুলে ফেলো। অনেক দিন চলে গেল এবং ছেলেটি একদিন তার বাবাকে জানালো যে সব পেরেকই সে খুলে ফেলতে সক্ষম হয়েছে। তার বাবা এবার তাকে নিয়ে বাগানে গেল এবং কাঠের বেড়াটি দেখিয়ে বললো, 'তুমি খুব ভালভাবে তোমার কাজ সম্পন্ন করেছো, এখন তুমি তোমার রাগকে নিয়ন্ত্রন করতে পারো কিন্তু দেখো, প্রতিটা কাঠে পেরেকের গর্তগুলো এখনো রয়ে গিয়েছে। কাঠের বেড়াটি কখনো আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না। যখন তুমি কাউকে রেগে গিয়ে কিছু বলো তখন তার মনে তুমি যেন একটি পেরেক ঠুকলে পরবর্তিতে যদি তুমি তোমার কথা ফিরিয়েও নাও তখনও তার মনে ঠিক এমন একটা আচড় থেকে যায়। তাই নিজের রাগকে  নিয়ন্ত্রন করতে শেখো। মানসিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়েও অনেক বেশি হয় । 

জীবনে অনুপ্রেরণার গুরুত্ব যে কতটাতা আমরা কমবেশি  প্রত্যেকেই জানিপ্রত্যেক মানুষই চায়  তারা যেন সর্বদা অনুপ্রাণিত থাকেন 
এই অনুপ্রেরণা মূলক বিচার গুলিকে বাস্তব জীবনে ঠিক  মত মেনে চললে যে কোনো মানুষের জীবন অনয়াসেই বদলে যেতে পারে 

মোটিভেশনাল ভিডিও দেখতে উপরের ডানদিকের কর্নারে YouTube লিঙ্ক অথবা এখানে Pkrnet এই লিঙ্কটির উপর ক্লিক করুন।
এতক্ষণ সময় দিয়ে পড়ার জন্যে তোমাকে  অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই  পিকেআর নেট  ব্লগ - এর পক্ষ থেকে | 
পোস্টটা ভালো লেগে থাকলে অবশ্যই একটু Comment করে তোমার মতামত আমায় জানিও |তোমার মূল্যবান মতামত আমাকে বাড়তি অনুপ্রেরণা যোগাতে ভীষনভাবে সাহায্য করে।

No comments:

Post a comment